“বগুড়ায় এসএসসি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ। ধর্ষণের কথা প্রকাশ করায় আবারো গণধর্ষণ।নির্যাতিত মা-মেয়েকে ন্যাড়া করে দেয়া হয়েছে শালিসে।ধর্ষণ করেছেন শ্রমিক লীগ নেতা।”

এখন কথা হল,এটা কি ঐতিহাসিক ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নাকি ইতিহাস ভুলে ভ্রান্তপথভ্রমণ?
আর, ‘ওমেন চ্যাপ্টার’ বলে একটা ব্লগের আমি সাবস্ক্রাইবার কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আমাদের নারীবাদী মহান নারী নেত্রীদের আওয়াজ পেলাম না,তারা আওয়াজ দিলেই আমি ইমেইল পাই…কিন্তু কে বিশ্বাসঘাতকতা করল….ওমেন চ্যাপ্টার নাকি আমার ইমেইল? 

একজন ‘নেতা’ কখনো ধর্ষক হতে পারেন না।অথবা এভাবে বলা যায়,একজন ধর্ষক কখনো নেতা হতে পারেন না।এটাই বেশি সুন্দর লাগছে বলতে।
যদি এমনই চলতে থাকে যে,’নেতা’ ধর্ষণ করবেন…বিচারে সেই ধর্ষিতাকেই বরং সাজা দেয়া হবে তাহলে দেশে এসব আইনের কি দরকার….পাকিস্তানিরাও তো এমনি করত একাত্তরে,তাইনা!তাহলে তাদের সাথে আপনাদের পার্থক্যটা কোথায়?
এমন একটা দিন নাই যে দিনে ধর্ষণের কোন খবর গণমাধ্যমে আসে না,তাহলে গণমাধ্যমে না আসা ঘটনাগুলোর সংখ্যা কতগুলো হতে পারে!
ধর্ষক…অপরাধী, সে যেই হোক কেন।আওয়ামীলীগ বা বিএনপি বা অন্যান্য দলের যেটারই হোক কেন… সে ধর্ষক।
জনমুখে প্রচলিত বড় নেতা হতে গেলে নাকি খুন,মারপিট করতে হয়।এটা নাকি তাদের কোয়ালিফিকেশনের অন্যতম একটা দিক।কিন্তু ধর্ষণ! এটা দিয়ে কি করবেন ভাই?দেশকে ধর্ষণ করবেন?তারই প্রস্তুতি নিচ্ছেন?আর কত?দেশটাতো মরেই যাচ্ছে…নিজের জন্যে এত কিছু করছেন,দেশের জন্যে আত্মাহুতি দেন ভাই,দেশটা বাঁচবে।বেঁচে থাকা খুব দরকার এই দেশের জন্য,যাতে আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেখতে পারে আপনি এইই দেশের কি বেহাল দশা করে গেছেন।
সে যাইহোক,এইসব অরাজকতার, নৈরাজ্যের, অসামাজিক কার্যকলাপের,বিশৃঙ্খলার শেষ করতে হবে।
দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, অন্যতম প্রধান  দলের নেতা… নারী।তারা বিষয় টাকে কিভাবে দেখছেন সেটার ওপর নির্ভর করবে এসব থামবে কি না।তারাই এসব থামাতে পারেন।
তারা যদি মনে করেন এসব সেই ‘নেতা’দের ‘মনোরঞ্জন’ তাহলে ‘একবার বিদায় দে মা’ ঘুরে আসি’ বলে  আমাদেরকে নিজ গলায় ফাসি দিয়ে অক্কা পাওয়াটাই ভাল হবে।
দেখুন, মুখে অনেক কিছুই বলছেন আর আমরা কানে অনেক কিছুই শুনছি।এসব বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য  এমনকিছু করুন যেটা চোখে দেখে বলতে পারব,’আপনাদেরকে ধন্যবাদ’।
#RIRkb

Advertisements