Category Archives: Bangladesh

বুলেটে বিক্ষত স্বপ্ন

১ম শ্রেণি থেকে পড়াশোনার শেষ অব্দি পর্যন্ত অন্তত স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত একেকটা শ্রেণী আরেকটার সাথে পারস্পারিক সম্পর্কযুক্ত। একটা আরেকটার ওপর নির্ভর করে।কেউ চাইলেই ৫ম শ্রেণি না পড়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়তে পারবে না অথবা প্রাথমিক, মাধ্যমিক বা যেকোন একটা ধাপ বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারবে না,এটাই নিয়ম।

আবার প্রত্যেকটা শিশু- কিশোর বড় হয় স্বপ্ন বুনে,স্বপ্নকে লালন করে স্বপ্নকে সত্যি করে তুলতে।এই স্বপ্নে হয়তো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্র, রাজনীতিবিদ, Continue reading বুলেটে বিক্ষত স্বপ্ন

Advertisements

Bangladesh PM claims ‘forced disappearances’ take place in UK and US’

og-sheikh-hasina-5680
Sheikh Hasina: ‘As per statistics of 2009, 275,000 British citizens disappeared. Of them, the whereabouts of 20,000 is not known. If you consider America, the situation is even worse.

Bangladesh’s prime minister has claimed that forced disappearances allegedly perpetrated by security forces in the country also occur in Britain and the US, saying “275,000 British citizens disappeared” in the UK each year. Continue reading Bangladesh PM claims ‘forced disappearances’ take place in UK and US’

রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক অভিযান বন্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস

মায়ানমারে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সামরিক অভিযান বন্ধে প্রস্তাব পাস।
পক্ষে ভোটঃ১৩৫ টি রাষ্ট্র

বিপক্ষে ভোটঃ১০ টি রাষ্ট্র

পক্ষে ভোট দাতাঃযুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য,পাকিস্তান ….

বিপক্ষে ভোট দাতাঃচীন,রাশিয়া,ভিয়েতনাম…

ভোট দেয়নিঃ ভারত, জাপান… Continue reading রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক অভিযান বন্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস

বাঙালিয়ানা

বাংলাদেশ শুধু বাঙালিকে নিয়েই না,এখানে অবাঙালীও আছেন উল্লেখযোগ্য ভাবে।তাদের সবাইকে নিয়েই বাংলাদেশ যারা,বাংলাদেশের স্বাধীনতা – সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নিয়েই বাংলাদেশের নাগরিক।
কথায় কথায় বাঙালি বাঙালি করা একধরণের সাম্প্রদায়িকতা ছাড়া কিছু নয়।কারণ অবাঙালি যেমন… বিভিন্ন উপজাতিক যারা…তাদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়নি।এদেশের জন্মে -বাড়ন্তে তাদের অবদান আছে। Continue reading বাঙালিয়ানা

Burma: Rohingya children ‘beheaded and burned alive’ as refugees continue to flood into Bangladesh to escape violence

Boris Johnson calls on Aung San Suu Kyi to help end the violence amid claims of ‘genocide’ and a ‘pogrom’

https://players.brightcove.net/624246174001/default_default/index.html?videoId=5563288054001

Rohingya children have been beheaded and civilians burned alive, according to witness testimony amid claims that Burma’s military and paramilitary forces are committing “genocide” or a “pogrom” against the Muslim minority in the country’s western Rakhine state.

Around 60,000 refugees are believed to have fled over the country’s western border into Bangladesh in a just a week following a clampdown on Rohingya militants.

©ABC

The British Foreign Secretary, Boris Johnson, called for the violence to end, saying the treatment of the Rohingya was “besmirching the reputation of Burma”, also known as Myanmar, and appealing to Aung San Suu Kyi to act.

Turkey’s President, Recep Tayyip Erdogan, has gone much further, accusing Burma’s forces of genocide and saying those who turned a blind eye to events were complicit.

©Al jazeera

Observers believe the number of displaced people is likely to increase. The Burmese military said 400 militants had been killed in clashes with their forces.

https://players.brightcove.net/624246174001/default_default/index.html?videoId=5315552115001

Pope Francis defends right of Burma’s RohingyaMuslims to ‘live their faith’

Civilians who escaped gave horrific accounts of violence and destruction by Burmese soldiers and other armed groups.

A man named as Abdul Rahman, 41, said he had survived a five-hour attack on Chut Pyin village.

He told Fortifiy Rights, a charity working in the area, that a group of Rohingya men had been rounded up and detained in a bamboo hut, which was then set on fire.

“My brother was killed, [Burmese soldiers] burned him with the group,” he said.

©Radio New Zeland
“We found [my other family members] in the fields. They had marks on their bodies from bullets and some had cuts.

“My two nephews, their heads were off. One was six years old and the other was nine years old. My sister-in-law was shot with a gun.”

Another man from the same village, named as Sultan Ahmed, 27, told the charity: “Some people were beheaded, and many were cut. We were in the house hiding when [armed residents from a neighbouring village] were beheading people.

©Vice News

“When we saw that, we just ran out the back of the house.”

Survivors from other villages in the region also described seeing people being beheaded or having their throats cut.

“We can’t stress enough the urgency of the situation,” said Matthew Smith, head of Fortify Rights.

Source: http://www.independent.co.uk/news/world/asia/rohingya-burma-myanmar-children-beheaded-burned-alive-refugees-bangladesh-a7926521.html

স্মরণ কালের ভয়াবহতম বন্যা বাংলাদেশে

​”আমার ঘরে এক-বুক পানি। আমি আমার ছেলে-মেয়ে, স্বামীসহ তিনদিন ধরে এভাবে আছি। সাঁতরে আসছি। কোনোরকমে ছোট ছেলেকে এই দোকান থেকে কোনোমতে রুটি কিনে খাওয়াইছি”।

-কুড়িগ্রামের অবস্থা।

রেললাইন,বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।মানুষ,গবাদিপশু ভেসে যাচ্ছে বন্যার পানির স্রোতে।
গত ২০০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ এই বন্যায় ২০ এরও বেশি জেলা় এখন বন্যার কবলে। সরকারি হিসেবে ছয়টি জেলায় মৃতের সংখ্যা ৩২ জন কিন্তু নিখোঁজ অনেক মানুষ।

সরকার ছয় লাখের মত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত বললেও, বিভিন্ন জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এরই মাঝে।

এই অবস্থা ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে।এ মাসের ১৯ তারিখ পর্যন্ত মোটামুটি স্থায়ী থাকবে।ততদিনে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে যদি মানুষ সচেতন না হয়,বন্যা কবলিত স্থান হতে তাদের সরিয়ে না নেয়া হয়,পর্যাপ্ত ত্রানের ব্যবস্থা না করা হয়।

বেসরকারি উদ্যোগ যতটা গৃহিত হচ্ছে তারচেয়ে বেশি জরুরি সরকারি উদ্যোগ।কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে খুব সহজেই ‘৮৮ সালের বন্যাকে ছাড়িয়ে যাবে এই বন্যা।

http://www.bbc.com/bengali/40929575
http://kalerkantho.com/online/national/2017/08/14/531680
http://m.banglanews24.com/climate-nature/news/bd/595168.details
http://www.prothom-alo.com/economy/article/1287961/বন্যা-ও-ঘূর্ণিঝড়ে-বছরে-ক্ষতি-২৬-হাজার-কোটি-টাকা

#সাহায্যের_হাত_বাড়ান
#দুর্গতদের_সাহায্য_করুন

#উত্তরাঞ্চলে_বন্যা

#বাংলাদেশ

#RIRkb

ব্যবচ্ছেদ – ১

“বগুড়ায় এসএসসি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ। ধর্ষণের কথা প্রকাশ করায় আবারো গণধর্ষণ।নির্যাতিত মা-মেয়েকে ন্যাড়া করে দেয়া হয়েছে শালিসে।ধর্ষণ করেছেন শ্রমিক লীগ নেতা।”

এখন কথা হল,এটা কি ঐতিহাসিক ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নাকি ইতিহাস ভুলে ভ্রান্তপথভ্রমণ?
আর, ‘ওমেন চ্যাপ্টার’ বলে একটা ব্লগের আমি সাবস্ক্রাইবার কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আমাদের নারীবাদী মহান নারী নেত্রীদের আওয়াজ পেলাম না,তারা আওয়াজ দিলেই আমি ইমেইল পাই…কিন্তু কে বিশ্বাসঘাতকতা করল….ওমেন চ্যাপ্টার নাকি আমার ইমেইল? 

একজন ‘নেতা’ কখনো ধর্ষক হতে পারেন না।অথবা এভাবে বলা যায়,একজন ধর্ষক কখনো নেতা হতে পারেন না।এটাই বেশি সুন্দর লাগছে বলতে।
যদি এমনই চলতে থাকে যে,’নেতা’ ধর্ষণ করবেন…বিচারে সেই ধর্ষিতাকেই বরং সাজা দেয়া হবে তাহলে দেশে এসব আইনের কি দরকার….পাকিস্তানিরাও তো এমনি করত একাত্তরে,তাইনা!তাহলে তাদের সাথে আপনাদের পার্থক্যটা কোথায়?
এমন একটা দিন নাই যে দিনে ধর্ষণের কোন খবর গণমাধ্যমে আসে না,তাহলে গণমাধ্যমে না আসা ঘটনাগুলোর সংখ্যা কতগুলো হতে পারে!
ধর্ষক…অপরাধী, সে যেই হোক কেন।আওয়ামীলীগ বা বিএনপি বা অন্যান্য দলের যেটারই হোক কেন… সে ধর্ষক।
জনমুখে প্রচলিত বড় নেতা হতে গেলে নাকি খুন,মারপিট করতে হয়।এটা নাকি তাদের কোয়ালিফিকেশনের অন্যতম একটা দিক।কিন্তু ধর্ষণ! এটা দিয়ে কি করবেন ভাই?দেশকে ধর্ষণ করবেন?তারই প্রস্তুতি নিচ্ছেন?আর কত?দেশটাতো মরেই যাচ্ছে…নিজের জন্যে এত কিছু করছেন,দেশের জন্যে আত্মাহুতি দেন ভাই,দেশটা বাঁচবে।বেঁচে থাকা খুব দরকার এই দেশের জন্য,যাতে আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেখতে পারে আপনি এইই দেশের কি বেহাল দশা করে গেছেন।
সে যাইহোক,এইসব অরাজকতার, নৈরাজ্যের, অসামাজিক কার্যকলাপের,বিশৃঙ্খলার শেষ করতে হবে।
দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, অন্যতম প্রধান  দলের নেতা… নারী।তারা বিষয় টাকে কিভাবে দেখছেন সেটার ওপর নির্ভর করবে এসব থামবে কি না।তারাই এসব থামাতে পারেন।
তারা যদি মনে করেন এসব সেই ‘নেতা’দের ‘মনোরঞ্জন’ তাহলে ‘একবার বিদায় দে মা’ ঘুরে আসি’ বলে  আমাদেরকে নিজ গলায় ফাসি দিয়ে অক্কা পাওয়াটাই ভাল হবে।
দেখুন, মুখে অনেক কিছুই বলছেন আর আমরা কানে অনেক কিছুই শুনছি।এসব বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য  এমনকিছু করুন যেটা চোখে দেখে বলতে পারব,’আপনাদেরকে ধন্যবাদ’।
#RIRkb

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সংবাদ শিরোনাম

নওয়াজের পদত্যাগঃ

“পানামা নথি কেলেঙ্কারির মামলায় সুপ্রিম কোর্ট অযোগ্য ঘোষণার পর পদত্যাগ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ…।”
-এনটিভি https://goo.gl/hM8uaj

পানামা পেপার্সে ৪৩ বাংলাদেশিঃ
“পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থ পাচারের যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তাতে অন্তত ৪৩ জন বাংলাদেশির নাম পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৩৯ জন ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হিসাব চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে বেনামি প্রতিষ্ঠান গড়ার প্রমাণ মিলেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফইইউ) যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম চিহ্নিত করেছে।”
-বিডি-প্রতিদিন। http://www.bd-pratidin.com/first-page/2016/09/29/173158

“….. বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির বিষয়টি নিয়ে কোনও কাজ করলে বিএফআইইউ করতে পারে। আর বিএফআইইউ কী ধরনের কাজ করছে তা আমার জানা নেই।”
-বাংলা ট্রিবিউন। http://m.banglatribune.com/business/news/94265/বাংলাদেশে-তদন্ত-শুরু-করেছে-আর্থিক-গোয়েন্দা-ইউনিট

শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সরকারি সুপারিশে মুক্তিঃ
“শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ ওরফে জোসেফসহ ৫৩ বন্দীর সাজা মওকুফ করে মুক্তি দিচ্ছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এসব বন্দীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে। মন্ত্রী ও সাংসদদের দেওয়া সুপারিশের ভিত্তিতেই এই তালিকা করা হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র নিশ্চিত করেছে।”
-প্রথম আলো। http://www.prothom-alo.com/amp/bangladesh/article/1268431/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A7%AB%E0%A7%A9-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%93%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87
বাংলাদেশ ব্যংকের রিজার্ভ চুরিঃ 

“সিআইডির তদন্ত সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান সুইফট এবং ভারতীয় একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান জড়িত।
সূত্র জানায়, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ৫ কর্মকর্তার গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতা ছিল। তাদের অসতর্কতা এবং প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাবেই হাতছাড়া হয় রিজার্ভের বিপুল অর্থ। এছাড়া আরও ২ জন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সরাসরি জড়িত।
 তারা জেনেশুনেই রিজার্ভ চুরিতে সহায়তা করেছেন বলে তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া সুইফট ও ভারতীয় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইনফরমেটিকস- বিপুল পরিমাণ অর্থ সরানোর ক্ষেত্রে কলকাটি নেড়েছে।”

-যুগান্তর। http://www.jugantor.com/online/national/2016/07/26/20187
যা বুঝাতে চেয়েছি তা বুঝলেই হল,কথা বলার দরকার নেই।😂😂😂

#RIRkb

নারী শ্লীলতাহানি ও একটি অনুসন্ধান

একজন নারী শ্লীলতাহানির শিকার হন মূলত ৩ ক্ষেত্রে।’নারী’ বলতে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী থেকে শুরু করে মোটামুটি ৫০ বছর পর্যন্ত।কেননা এই বয়স সীমার উপরে নিচে যারা আছেন তাদেরকে সবাই মা-মেয়ে-বোন-দাদী ভাবতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।যাইহোক শ্লীলতাহানির সেই ৩ ক্ষেত্রগুলো হলঃ

১.হাট-বাজার;
২.সাধারণ পরিবহণ ও

৩.শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বার।

একজন নারী তার সারা জীবনে যে পরিমাণ শ্লীলতাহানির শিকার হন সেটাকে যদি শতকরায় চিত্রিত করা যায় তবে দেখা যাবে যে,
১.হাট-বাজার-এ ৪০%
২.সাধারণ পরিবহন-এ ৪০% এবং

৩.শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-এ ২০%।

১.নারী  সাধারণত শ্লীলতাহানির শিকার হন ১ম ক্ষেত্রে ছোটখাটো দোকান যেমন- ফুটপাতের দোকান,তাদের আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের দোকান ইত্যাদি গুলোতে।
এক্ষেত্রে তারা নিজেরা সব যেন নিরবে মেনে নিয়েই নিজের প্রয়োজন সেরে নেন।কোনমতে শেষ হলেই বেচে যান মনে হয় এমন যে,”ছেড়ে দে কেঁদে বাঁচি”।

২.সাধারণ পরিবহন অন্যতম একটা ক্ষেত্র নারীদের শ্লীলতাহানির শিকার হওয়ার।একজন শ্রমিক থেকে শুরু করে একজন মস্ত বড় শিক্ষিত কর্মকর্তাও মনে হয়  একধরণের সুযোগ সন্ধানী হয়ে পড়েন তার উদ্দেশ্য হাসিলে।শ্রমিক আর বড় বড় সাহেবরা মিলে শুরু করেন শ্লীলতাহানি যা শুরু হয় পরিবহনে ওঠা থেকে শুরু করে নেমে যাওয়া পর্যন্ত।আর ঈদ-পূজা ছুটিতে বা সামান্য ভীড় হলে তো কথাই নেই! “একজন নারীর পায়ের আঙুলও যৌনতার বস্তু হয়ে দাঁড়ায়”! 
আরে ভাই এইটা কোন কথা হইল,শেষ পর্যন্ত পায়ের আঙুল ? নারীদের কি পরিবার নাই,মানুষ না,তারা কি আপনাদের যন্ত্রণায় বাড়িও যেতে পারবে না ভালভাবে?

৩.৩য় ক্ষেত্র হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সু/শিক্ষা দেয়া হয়।ছেলে-মেয়েরা ইঞ্জিনিয়ার হবে, ডাক্তার হবে….কিন্তু মানুষ হইতে হইবে না চাচা আপনার ছেলেমেয়েদের ..সভ্য মানুষ?এসব প্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বার পেরোলেই দেখা যায়…”কত্ত মজনুরা লাইলি খুজতেছে”!আর মজনুরা এতটাই আধুনিক তারা কথায় কান না দিলে “ফুল ছুড়ে মারে”,ওড়না টেনে ধরে,পিছে চলে আর গায় “চুমকি চলেছে একা পথে”! আমাদের শিল্পী মহোদয়ও বোধয় এরকম মজনু ছিলেন?
এসব সমস্যা ক্ষেত্রের কারণ স্বরুপ বলা চলে-
-নারীদের ওপর জোর খাটানোর মানসিকতা;
-দোকানদারদের অপেশাদারীসূলভ মনোভাব;

-নারীকে দূর্বল ভাবা;

-নারীকে শুধুই ভোগ্যপণ্য ভাবা;

-বিক্রেতা বা পরিবহন শ্রমিকদের কমপক্ষে পরিমান সুশিক্ষার অভাব;

-সামাজিক মূল্যবোধ কমে যাওয়া;

-নারীদের প্রতিবাদী মনোভাবের অভাব;

-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষীয় কার্যকরী দায়িত্ববোধের অভাব;

-অপরাধীদের শাস্তির আওতায় না আনা;

-নারীদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি;

-আইনের যথেচ্ছ ব্যবহার;

-আইনের যথেষ্ট ব্যবহারের অভাব;

-পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অভাব;

-নারীদের শালীন পোষাকের অভাব;

-বিপরীত লিঙ্গের কাউকে আকৃষ্ট করার প্রবণতা;

-অবৈধ সুযোগ নেয়ার অপচেষ্টা। 

এই কারণগুলো মোটামুটি আপাতভাবে দৃষ্টিতে পড়ে।
এগুলো ছাড়া আরেকটি নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে, সেটা হল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন-ফেসবুক,টুইটার,গুগল প্লাস ইত্যাদি।
এই সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা একটা আজব চিড়িয়াখানায় পরিণত হয়েছে।মার্ক জাকার্বাগ এসব কীর্তি জানলে অন্তত বাঙালীদের কথা ভেবে হয় ফেসবুক বন্ধ করতেন নয়তো আত্মহত্যা করতেন।এখানে এসে একেকজন আরেকজনের দেখাদেখি ‘চেলেববেরেটি’ হওয়ার নোংরামিরর দৌড়ে নেমেছে।যাইহোক,ছেলেমেয়েদের দুজনের দুই রাস্তা ‘চেলেববেরেটি’ হওয়ার জন্যে –

১.ডিএসলার -ছেলেরা অন্যদিকে,
২.সারাদিন ‘ক্লিভেজ’ বের করা অজস্র ছবি।

এই দুই ধরনে যারা পড়েন কোন কিছুকেই শ্লীলতাহানি বলতে চাননা।তারা এটাকে “জনগণের ভালবাসা” মনে করেন।
মাঝখান থেকে শ্লীলতাহানির শিকার হন সুন্দরী মেয়েরা যারা মনে করেন “এইটুকু কিছু না,আমার আইডি আমি চালাই তাতে আপনার কি?আপনার মন ভাল করেন”!আর নিত্যনতুন ভাবে মুখ ভ্যাংচায়ে ফটো দেন সরল মনে।কেউ অস্বীকার করতে চাইলে সেই আপুর ইনবক্স জাতির উদ্দেশ্যে প্রকাশ করুন,জাতি কিচ্ছু বলবে না।😜😜😁😁😁
😱😱এহন আমি কি করাম?!?
ভাল কথা বইন,আমার মন ১০০% বিশুদ্ধ,আপনেরটার খবর জানিনা। আপনি চালায়ে যান,কিছু হইলে কইয়েন না আবার “দুনিয়ার সব ছেলেরাই খারাপ/এমন”।
এইসব মন-মানসিকতার কারণে আমি সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা এমন কর্মকাণ্ডকে “শ্লীলতাহানি ” বলতে নারাজ।এখানে প্রত্যেকেই সমান দোষী। 
আর যদি আমাকে জোর করেন মন্তব্য করতে তাহলে বলব, “মনযোগ অন্যদিকে দিন।নিজের গু নিজে পরিষ্কার করুন।পরিষ্কার করতে না চাইলে যেখানেসেখানে এসব ফেলবেন না।সতর্ক থাকুন,এটাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।”

“ফেসবুকের ‘চেলেববেরেটি’ না হয়ে বাপ-মায়ের সোনা যাদু হন,সামাজিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিন,আরেকজনকে সম্মান করুন,অন্যের মতকে শ্রদ্ধা করতে না পারেন অশ্রদ্ধা করবেন না।সমাজের কথা ভাবুন,দেশের কথা ভাবুন,কাজ করুন।সৎপথ অবলম্বন করুন।সবাইকে নিজের মা-বোন ভাবার দরকার নাই,সম্মান করুন সৃষ্টিকর্তার অন্যতম একটি সম্মানীত সৃষ্টি হিসেবে,একজন আরেকজনের আবরণ স্বরূপ। ”
#RIRkb

ঢাবির ফিল্ল সোসাইটির বিরুদ্ধে ‘ম্যাচিউরিটি টেস্ট, ফিজিক্যাল রিলেশন শিক্ষার অভিযোগ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফিল্ম সোসাইটির ভর্তির প্রশ্ন নিয়ে ঝড় উঠেছে। তাদের রুচিবোধ, মানসিকতা, ও রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে চলছে নানা বিতর্ক। ভর্তি হতে আসা অনেকেই তাদের কুরুচিপূর্ণ প্রশ্ন ও আচরণ মেনে নিতে পারছেন না। রীতিমত ফিল্ম সোসাইটির ওই ভর্তি কমিটির লোকজনের শাস্তি দাবী করেছেন। বলেছেন,বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের মুখে এ জাতীয় অশ্লীল ও নিচু মানসিকতা সমাজ- রাষ্ট্রকে ধবংস করে দেবে।

ভর্ত হতে আসা শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ভাইবাতে প্রশ্ন করা হয় ‘এই আপুর প্রতি ইন্টারেস্ট আছে নাকি? সর্বশেষ কবে গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ফিজিক্যাল রিলেশন করেছ? ১০ জন পর্নস্টারের নাম বলো’- এমন আরও অনেক ‘কুরুচিপূর্ণ’ প্রশ্ন!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ফিল্ম সোসাইটির ২০১৭-১৮ সেশনে নতুন সদস্য নেয়ার সময় সাক্ষাৎকারের প্রশ্নের ধরন ছিল এমনই। হঠাৎ করে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ায় বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন সংগঠনটির সদস্য হতে আগ্রহী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের বিষয়ে মোবাইলে কোনো উত্তর দিতে চাননি ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি এস এম আরিফ রায়হান শোভন। ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘মোবাইলে কিছু বলতে চাই না। দেখা হলে সরাসরি বলব।’

তবে ‘অভিযোগকারীরা অনেকগুলো প্রশ্নের মধ্যে ‘দু-একটা’ নিয়ে অভিযোগ করেছেন’- দাবি করেন তিনি।

চলচ্চিত্র সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন না করে নানা ধরনের অবান্তর ও অশ্লীল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করায় বেশ ক্ষুব্ধ তারা। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে। সংশ্লিস্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন। 

কেউ কেউ আবার সদস্য হওয়ার সুযোগ পেলেও এ সংগঠনে না জড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বলেছেন, এরা নিজেরা সারা বছর এসব করে বেড়ায়। নতুন নতুন মুখ খোঁজে। তাদের সাথে চলাফেরা ও সম্পর্ক রাখাটাও বিপদজনক।

অন্যদিকে এ বিষয়ে ফিল্ম সোসাইটি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সদস্যদের ম্যাচুরিটি পরখ করতে এসব প্রশ্ন করা হয়েছে। এটা তেমন কিছু নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুয়েত  মৈত্রী হলের একজন ছাত্রী ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, আমি তাদের পছন্দ করতাম। ‘ফিল্ম সোসাইটির প্রতি আমি দুর্বল। অনেকেই পরিচিত ছিল। চলচ্চিত্রের প্রতি ভালোবাসা থেকেই সংগঠনটির সদস্য হওয়ার জন্য ভাইবায় অংশ নেই।’ কিন্তু যা শুনলাম তাতে আমার মনটা আর তাদের কাছে যেতে চায় না। আমি আর এদের সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখবো না।

তিনি আর বলেন আমাকে বলা হয় সর্বশেষ কবে যৌন মিলন করেছি! মাস্টারবেশনের সময় কাকে কল্পনা করেছি! জানতে চাওয়া হয় ১০ জন পর্নস্টারের নাম। কোনো ধরনের ফিল্ম রিলেটেড প্রশ্ন করা হয়নি।’ এসব শুনে কোন কথা না বলে চলে আসি হলে।

আর জিয়া হলের ছাত্র এবং ফিল্ম সোসাইটির সদস্য হতে আগ্রহী নাজমুল ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘ভাইবা বোর্ডে বসা একজন নারী সদস্যকে দেখিয়ে অন্য একজন প্রশ্ন করেন, আপুকে…ইন্টারেস্ট আছে নাকি? এমনকি বোর্ডে বসা ওই নারী সদস্য প্রশ্ন ছোড়েন, সর্বশেষ কবে গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ফিজিক্যাল রিলেশন করেছ? ফিলিংস কী?’ তখন কেমন লাগছিল? ইত্যাদি, ইত্যাদি।


মুহসিন হলের শিক্ষার্থী তাহসান শাবাব ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, এডাল্ট মোভি দেখার সময় বয় না গার্লদের ভাল লাগে? দেখার পর কি অনুভূতি হয়, আপনি তখন কি করেন। তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাচিউরিটি টেস্টের জন্যে আরও অনেক প্রশ্ন করেছে বলে তাদের দাবী, কিন্তু এ ধরনের প্রশ্নে আমি বিব্রত এবং ক্ষুব্ধ। তাই সুযোগ পেলেও ওই সংগঠনে কাজ করব না’- এদের বিরোধিতাই করে যাব। শুনতাম খবই ভাল এরা। আধুনিক মনমানসিতা নিয়ে চলে। কিন্তু এটা আধুনিকতা এব্যাপারটি জানা ছিলনা।  পরে তিনি আর যোগ দেননি।


স্ক্রিনশট

জগন্নাথ হলের মৃনাল কান্তি ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ক্ষোভ প্রকাশ করে বললেন, এরা এত বাজে জানাছিল না। সিনিয়র হলে মার দিতাম। তিনি বলেন এব্যাপারটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অ্যাকশনে যাওয়া উচিত। কিছু একটা করা উচিত।  আরেক প্রার্থী বলেন, ‘এমন প্রশ্নে আমি অবাক হয়েছি। ধারণাই ছিল না আমার যে, ঢাবির কোনো সংগঠনের ভাইবার প্রশ্ন এমন হতে পারে।’ এতো নোংড়া হতে পাবে।

সলিমুল্লাহ হলের অপু নামের অপর একজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন,‘আমাকে প্রশ্ন করা হয়, সিগারেট টানতে পারবো কিনা? বাথরুম পরিষ্কার ও পানি টানতে পারব কিনা? ফিল্ম সোসাইটিতে কি আমি সিগারেট টানতে আর বাথরুম পরিষ্কার করতে যাব’- প্রশ্ন রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের এ ছাত্র। বলেন এরা আবার কি শেখাবে। তাদেরকে শিক্ষা দেয়া উচিত।

এসব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বেশ ‘গর্বের’ সঙ্গে স্বীকার করেন ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন তাহা। তিনি ক্যাম্পাসলাইভকে বলেন, ‘এসব প্রশ্ন নতুন সদস্য রিক্রুটের সময় করা হয়। আমরা ম্যাচিউরিটি পরীক্ষা করার জন্য এ ধরনের প্রশ্ন করে তাদের বিব্রত করি। কারণ তাদের মেন্টালিটি জানা আবশ্যক। কারণ প্রায় ১২শ’ শিক্ষার্থী থেকে আমরা মাত্র ৩০ জনকে নেব।’ তাই একটু মজা করতেই এই আয়োজন।

ফিল্ম সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন করা হয় না কেন- এমন প্রশ্নে জবাবে তাহা বলেন, ‘আমরা তাদের ফিল্ম শিখিয়ে নিতে পারব। কিন্তু এসব বিষয় তো শেখাতে পারব না। তাই বিভিন্ন প্রশ্ন করে যেকোন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খেতে পারবে কিনা তা যাচাই করি। কারো এলার্জি থাকলে সে নাও আসতে পারে।’

‘সিগারেট টানা, পানি টানা এবং বাথরুম পরিষ্কার’- এসব বিষয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সংগঠনের সঙ্গে থাকতে হলে এসব কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। কারণ সিনিয়রদের সিগারেট টানা জুনিয়রদের কাজ। এটাই নিয়ম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসহ সব জায়গায় এ সিস্টেম চালু আছে।’

এ বিষয়ে ফিল্ম সোসাইটির উপদেষ্টা ও ঢাবি ভিসি প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদকও এভাবে কথা বলেছেন। এভাবে চলতে পারে না। এমন কিছু করার সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব।’

উল্লেখ্য, সোমবার জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা ২০১৭-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে বলা হয়, `চলচ্চিত্রে সরাসরি ধর্ষণের দৃশ্য দেখানো যাবে না। এমনকি অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষাও পরিহার করতে হবে।` এছাড়াও নীতিমালা অনুসারে, শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা, বৈষম্যমূলক আচরণ ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড উদ্বুদ্ধ করে এমন দৃশ্য বা ঘটনা চলচ্চিত্রে প্রদর্শন করা যাবে না। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে কিছু ছেলে মেয়ে এধরনের আচরণ করে যাচ্ছে। বিষয়টি ব্যাপারে এখনই ভাবতে হবে বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

 

উৎসঃ ঢাকা, ০৩ এপ্রিল ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম-এ প্রকাশিত।