Category Archives: Game

Mustafizur Rahman: the statistically freaky bowler with an even freakier gift

The Bangladeshi blessed with a flappy wrist has enjoyed a sensational eight-month rise, and he is about to be unleashed on unwitting batsmen at the World Twenty20 – just don’t listen to talk of an injury

image

Illustration: Paul Thurlby

Would you like to hear my totally baseless World Twenty20-related conspiracy theory about Bangladesh’s “mystery” medium-pace bowler
Continue reading Mustafizur Rahman: the statistically freaky bowler with an even freakier gift

Advertisements

২৩ সদস্যের ব্রাজিল জাতীয় দল ঘোষণা

image

ব্রাজিলের কোচ লুইজ ফেলিপ স্কলারি বিশ্ব কাপের জন্য তার দেশ স্বাগতিক ব্রাজিলের ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন। প্যারিস সেন্ট জার্মেইর
মিডফিল্ডার লুকাস মৌরা লিভারপুলের
লুকাস লেইভা এবং এ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
যুগল মিরান্ডা ও ফিলিপ লুইসকে দলের
বাইরে রেখেই তিনি দল Continue reading ২৩ সদস্যের ব্রাজিল জাতীয় দল ঘোষণা

৫ম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যত রেকর্ড

image

২২ দিনের
পরিক্রমা শেষে রোববার
পর্দা নেমেছে পঞ্চম টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপের।
বাংলাদেশে ১৬ মার্চ থেকে ৬
এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই
বিশ্বকাপে বেশ কিছু রেকর্ড
তৈরি হয়েছে। যাতে ভারত,
পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট
ইন্ডিজের পর নতুন চ্যাম্পিয়ন
হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে পেয়েছে ক্রিকেটের
সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটটি। আসুন সদ্য
শেষ হওয়া বিশ্বকাপটির কিছু রেকর্ড
এক নজরে দেখে নেই-
দলীয় রেকর্ড:
•    সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ- দক্ষিণ
আফ্রিকা (১৯৬/৫, প্রতিপক্ষ
ইংল্যান্ড)।
•    এক ম্যাচে সর্বোচ্চ রান- দক্ষিণ
আফ্রিকা-ইংল্যান্ড ম্যাচে (৩৮৯
রান)।
•    এক ম্যাচে সর্বনিন্ম রান-
নেদারল্যান্ডস-শ্রীলঙ্কা (৭৯ রান)।
•    সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী-
বাংলাদেশ, নয় উইকেট ও ৪৮ বল
বাকি থাকতে (প্রতিপক্ষ
আফগানিস্তান), ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৮৪
রানের ব্যবধানে (প্রতিপক্ষ
পাকিস্তান)।
•    এক ইনিংসে সর্বোচ্চ অতিরিক্ত-
ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯ রান (প্রতিপক্ষ
বাংলাদেশ)।
ব্যাটিং রেকর্ড:
•    সর্বোচ্চ রান- বিরাট কোহলি,
ভারত। ছয় ইনিংসে ১০৬.৩৩ গড়ে ৩১৯
রান সংগ্রহ করেন। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৭৭
রান। হাফ সেঞ্চুরি ৪টি।
•    এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত
সংগ্রহ- অ্যালেক্স হেলস
(ইংল্যান্ড)। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৪
বলে অপরাজিত ১১৬ রান করেন
ইংলিশ এই ওপেনার।
•    সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ব্যাটিং গড়-
বিরাট কোহলি (ভারত)। গেল টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০৬.৩৩
গড়ে ৩১৯ রান করেন দিল্লির এই
ব্যাটসম্যান।
•    সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট- সুনীল
নারাইনের। ক্যারিবিয়ান এই
তারকা এক ইনিংসে ব্যাট
করে অপরাজিত সাত রান করেন।
স্ট্রাইক রেট ৩৫০। তার ঠিক পরের
স্থানেও আরেক ক্যারিবিয়।
তিনি ড্যারেন সামি। উইন্ডিজ
অধিনায়কের স্ট্রাইক রেট ২২৪.৪৪।
•    সবচেয়ে বেশি ফিফটি- ভারতের
বিরাট কোহলির। চারটি হাফ
সেঞ্চুরি করেন তিনি।
•    সবচেয়ে বেশি ডাক-
বাংলাদেশের জিয়াউর রহমান ও
হংকংয়ের ইরফান আহমেদের। দুই বার
করে।

গোটা টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ছয়
নেদারল্যান্ডের স্টিফেন
মাইবার্গের, ১৩টি। ডাচ তারকার
পরের আসনটি অসি হার্টহিটার
গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। তার
উইলো থেকে ১২টি ছয় এসেছে।
বোলিং রেকর্ড:

image


গোটা টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ১২টি করে উইকেট
দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির ও
নেদারল্যান্ডসের আহসান
মালিকের।
•    এক
ইনিংসে সবচেয়ে ভালো বোলিং ফিগার-
শ্রীলঙ্কার রঙ্গনা হেরাথের।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩.৩
ওভার বোলিং করে মাত্র ৩ রানের
বিনিময়ে পাঁচটি উইকেট নেন
তিনি।
•    সবচেয়ে মিতব্যয়ী ইকোনমি রেট-
আফগানিস্তানের মিরওয়াইস
আশরাফের। গোটা টুর্নামেন্টে চার
ওভার বল করে ১৪ রান দেন তিনি।
ইকোনমি রেট ৩.৫০।
অন্যান্য:
•    সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল-
দক্ষিণ আফ্রিকান উইকেটকিপার
কুইন্টন ডি ককের। পাঁচ
ম্যাচে আটটি ডিসমিসাল তার
দখলে।
•    সবচেয়ে বেশি ক্যাচ- ওয়েস্ট
ইন্ডিজের ডোয়াইন ব্রাভোর। পাঁচ
ম্যাচে সাতটি ক্যাচ নিয়েছেন
তিনি।
•    সবচেয়ে বড় পার্টনারশিপ
ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস ও
এউইন মর্গানের। শ্রীলঙ্কার
বিপক্ষে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৫২
রান করেন তারা।

image

একই সাথে জন্ম-বিদায়

image

পৃথিবীর বুকে একই সালে জন্ম
নিয়েছেন তারা। টি-টোয়েন্টির
আন্তর্জাতিক মঞ্চেও অভিষেক একই
সঙ্গে। তাদের বিদায়টাও
হলো গলা জড়াজড়ি করে। গৌরবের
সাথে। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত
পঞ্চম টি-টোয়েন্টির বিশ্বকাপ জয়
করে।
মাহেলা ও জয়বর্ধনে উভয়েরই বয়স
এখন ৩৬ বছর। ১৯৭৭ সালের ২৭
মে মাহেলা জয়াবর্ধনে জন্ম। একই
বছরে জন্ম কুমারা সাঙ্গাকারাও।
তবে সেটা ২৭ অক্টোবরে। তাই
হয়তো দুই জনই একই স্কুলে পড়েছেন।
একই সঙ্গে দেশের হয়ে লড়েছেন। আর
টি-টোয়েন্টি থেকে একই
সঙ্গে বিদায়ও নিলেন।
হেরে মাথা নিচু করে নয় বরং বিশ্ব
জয়ের আনন্দে মাথা উচু করেই।
ভারতকে ছয় উইকেটের পরাজয় তিলক
উপহার দিয়ে।
ক্রিকেট ইতিহাসে তাদের নাম
স্বর্ণ অক্ষরে লেখা থাকবে হাজার
বছর। আট বছর আগে ইংল্যান্ডের
মাটিতে টি-
টোয়েন্টি ক্যারিয়ার শুরু
করেছিলেন তারা দুজন। একই
ক্ষণে বিদায়ও নিলেন। মিরপুরের
আলো ঝলমলে রাতে। ২৪ হাজার
দর্শককে বিশ্বজয়ের স্বাক্ষী রেখে।
অনেকটা যেন উপন্যাসের কল্প-
কাহিনীর মতো। কিন্তু এটাই সত্যি।
শুধু তাই নয়, ক্রিকেট ইতিহাসেই
দু‘জনই  টেস্ট ও
ওয়ানডে ক্রিকেটে ১১ হাজার
রানের মাইলফলকও ছুঁয়েছেন।
সাঙ্গাকারা ১২২টি টেস্ট ম্যাচ
খেলে ১১ হাজার ১৫১ রানের
মাইলফলক অর্জন স্পর্শ করেন। আর
আন্তর্জাতিক
ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩৬৯ ম্যাচ
খেলে ১২ হাজার পাঁচ শত রান
আসে তার ব্যাটে। এছাড়া টি-
টোয়েন্টিতে ৫৫ ম্যাচ খেলে ১
হাজার ৩৩০ রান করেন
উইকেটকিপার এই ব্যাটসম্যান।
অন্যদিকে জয়বর্ধনে ১৪৩টি ওয়ানডে খেলে ১১
হাজার ৩১৩ রান জমান।
ওয়ানডেতে তার
ব্যাটে এসেছে ১১ হাজার ৫১২ রান।
তাছাড়া টি-টোয়েন্টিতে ১৪
ম্যাচে ১ হাজার ৪৬৯ রান করেন
তিনি। প্রসঙ্গত, এই দুজন বিশ
ওভারি ক্রিকেটকে বিদায় বললেও
ওয়ানডে ও টেস্ট
খেলা চালিয়ে যাবেন।

আবারো ফাঁসছেন সাকিব আল হাসান

image

ঘরের মাঠে আইসিসি টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
চলাকালে একটি পত্রিকায়
সাক্ষাৎকার দিয়ে আবারও
ফেঁসে যাচ্ছেন জাতীয় দলের
সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল
হাসান। কেন কি উদ্দেশ্যে দেশের
ক্রিকেট দর্শক, বিসিবি,
নির্বাচকদের এমন কথা বলেছেন
সে বিষয়ে আজ শনিবারের মধ্যেই
তাকে (সাকিব) জবাব
দিতে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ
ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার মিরপুর
শেরেবাংলা ক্রিকেট
স্টেডিয়ামে সংবাদকর্মীদের এমন
কথা জানিয়েছেন
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান
পাপন। বোর্ড সভাপতি বলেন, ‘আজ
বোর্ডের সভায় কয়েকজন পরিচালক
সাকিবের বিষয়ে প্রশ্ন
তুলেছিলেন। তবে এ বিষয়ে আগেই
তাকে (সাকিবকে)
চিঠি দেয়া হয়েছে। আজ
শনিবারের মধ্যেই তার কাছে জবাব
চাওয়া হয়েছে। তারপর বোর্ডের
পরিচালকদের
সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত
নেব।’
একটি টুর্নামেন্ট চলাকালে জাতীয়
দলের খেলোয়াড় এমন
কথা কি করে বলতে পারে। এবং এর
কি শাস্তি হতে পারে এমন প্রশ্নের
জবাবে তিনি বলেন, ‘কোড অব
কন্ডাক্ট অনুযায়ী বিসিবির
অনুমতি ছাড়া কোনো খেলোয়াড়ই
কাউকে সাক্ষাৎকার
দিতে পারে না।’ তাই এ
বিষয়ে আমরা টিম ম্যানেজমেন্টের
কাছেও জানতে চেয়েছি।
তবে সাকিব চিঠির জবাব দিক।
তারপর এক সপ্তাহ পরে আবার
বোর্ডের সভা হবে সেখানে সবার
সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত
হবে। শাস্তি কি হবে তা এখনই
বলা কঠিন।’
এছাড়াও বিসিবি সভাপতি বলেন,
‘এমন কথা কোনদিন
শুনিনি যে নিজের
দেশে খেলা হলে দর্শকরা চাপ হয়।
এতোদিন শুনেছি নিজের দেশের
মাটিতে খেলা হলে দর্শকদের
কারণেই সুবিধা পায় দল।’
বিসিবির মিডিয়া কমিটির
চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন,
‘আজ সাকিব চিঠির জবাব দিলেই
সিদ্ধান্ত হবে। প্রয়োজনে এ
বিষয়ে শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
কারণ একজন খেলোয়াড় টিম
ম্যানেজমেন্টের
অনুমতি ছাড়া কথা বলতে পারে না।
তারপর অনুমতি পেলেই যে সেই
খেলোয়াড়
যা ইচ্ছা বলতে পারবে তাও কিন্তু
নয়।’
উল্লেখ্য, আইসিসি টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের
শেষ ম্যাচের আগের দিন দেশের
একটি পত্রিকায়
দেয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব
বিশ্বকাপে নিয়ে বিসিবি, দর্শক,
নির্বাচক ছাড়াও অপ্রাসঙ্গিক
অনেক কথা বলে বিতর্ক সৃষ্টি করেন।

দুর্দান্ত একটা লড়াই দিয়ে পাকিস্তানের ১৬ রানের জয়

image

পাকিস্তান দলটাই
এমন! পৃথিবীর সহজতম ম্যাচেও
হারতে পারে তারা। আবার
অবিশ্বাস্য কিছু করে কঠিন
কোনো ম্যাচেও দারুণ জয়
ছিনিয়ে নিতে পারে। এজন্য
ক্রিকেটের অঅনুমেয় শক্তি তারা।
রোববার মিরপুর
শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পুরনো সেই
কথাটি নতুন ভাবে প্রমাণ
করলো পাকিস্তানিরা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত
একটা লড়াই দিয়ে ১৬ রানের জয়
ছিনিয়ে নিয়ে।
এদিন পাকিস্তানের
ছুঁড়ে দেয়া ১৯১ রানের পাহাড়সম
লক্ষ্য তাড়ায়
শুরুটা একেবারে বাজে হয়
অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম ওভারেই দুই
উইকেট হারায় তারা। যখন
সাজঘরে ফেরেন দুরন্ত
ফর্মে থাকা শেন ওয়াটসন (৪) ও
ডেভিড ওয়ার্নার (৪)। কিন্তু গ্লেন
ম্যাক্সওয়েল তৃতীয়
উইকেটে ক্রিজে এসে ম্যাচের
রঙটাই বদলে দেন।
মারকাটারি ব্যাটিং করে অসহায়
করে তোলেন শহিদ আফ্রিদি ও
সাঈদ আজমলদের। এক পর্যায়ে টি-
টোয়েন্টি ক্রিকেটের চতুর্থ দ্রুততম
অর্ধ শতক তুলে নেন অসি এই
অলরাউন্ডার। পাকিস্তানের
জয়কে তখন দূর গ্রহের
তারা বলে মনে হচ্ছিলো। কিন্তু
ইনিংসের দ্বাদশ
ওভারে আফ্রিদির
বলে ম্যাক্সওয়েলের বিদায়ের পরই
সবকিছু দ্রুত বদলে যায়। ম্যাচ
থেকে ছিটকে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।
কারণ ততোক্ষণে রণমূর্তি ধারণ
করেন উমর গুল ও শহিদ আফ্রিদিরা।
তাই শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০
ওভারে নয় উইকেটে ১৭৫ রান করেই
থামতে হয় অসিদের।
এর আগে উমর আকমলের দানবীয়
ব্যাটিংয়ে ম্যাচটা পাকিস্তানের
দিকে হেলে পড়েছিল। দলটির টপ
অর্ডার এই ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ার
সর্বোচ্চ ৯৪ রান করে দলকে বড়
সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। যাতে ভর
করে পাকিস্তানিরা নির্ধারিত
২০ ওভারে পাঁচ উইকেট
হারিয়ে ১৯১ রান সংগ্রহ করে। উমর
৫৪ বল খেলে চারটি ছয় ও
নয়টি চারের মারে ৯৪ রান করেন।
৩১ রান এসেছে কামরান আকমলের
ব্যাটে। আর আফ্রিদি করেন
অপরাজিত ২০ রান। অস্ট্রেলিয়ার
কোল্টার নাইল দুটি উইকেট পান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ১৯১/৫ (উমর ৯৪, নাইল
২/৩৬)
অস্ট্রেলিয়া: ১৭৫/৯ (ম্যাক্সওয়েল
৭৪, বাবর ২/২৬)
ফল: পাকিস্তান ১৬ উইকেটে জয়ী।

আইসিসি ‘র অসংগতি!

http://www.icc-cricket.com/world-t20/teams/men/Bangladesh

লিংকে গেলে দেখা যায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়  Sabbir Rahnan’  এর নাম Sabbur Rahman দেয়া।এই ভুলকি আইসিসি ‘র চোখে পরেনা?নাকি এটা ভুল না!

image

বাংলাদেশ স্কোয়াড :
1 Abdur Razzak Bowler
2 Al-Amin Hossain Bowler
3 Anamul Haque Wicket Keeper
4 Farhad Reza All Rounder
5 Mahmudullah All Rounder
6 Mashrafe Mortaza Bowler
7 Mominul Haque Batsman
8 Mushfiqur Rahim Wicket Keeper
9 Nasir Hossain All Rounder
10 Rubel Hossain Bowler
11 Sabbir Rahman Batsman

image

12 Shakib Al Hasan All Rounder
13 Shamsur Rahman Batsman
14 Sohag Gazi Bowler
15 Tamim Iqbal
-www.fb.com/rakibul.i.sumon

এটাই কি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান?কার জন্য?কেন?

image

সবাই জানে বৃহস্পতিবার
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
উপলক্ষে বিসিবির সেলিব্রেশন
কনসার্ট। বিকেল থেকে সেভাবেই
চলছিল অনুষ্ঠান। কয়েকটি ব্যান্ড
গানও গাইল। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা ১৮
মিনিটে যখন প্রধানমন্ত্রী টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধন
ঘোষণা করলেন তখন উপস্থিত
সাংবাদিকসহ সবার মুখ তো হা!
আইসিসির বিশ্বকাপ। অথচ মঞ্চে নেই
আইসিসির কোনো কর্মকর্তা, নেই
কোনো দেশের ক্রিকেট দলের
কোনো সদস্য বা বোর্ডের কর্মকর্তা।
অথচ প্রধানমন্ত্রী কয়েকজন
মন্ত্রীকে নিয়ে কনসার্টে এসে বিশ্বকাপের
উদ্বোধন ঘোষণা করলেন! তারপর
যথরীতি আতশবাজি উড়ানো হলো,
সিডিউল
মতো অস্কারজয়ী সংগীতায়োজক এ
আর রহমান মঞ্চ মাতালেন। এরপর
একে একে আরো শিল্পী মঞ্চে এসে নেচে গেয়ে দর্শকদের
বিনোদিত করলেন।

image

কিন্তু
এটা বিসিবির কনসার্ট নাকি টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
তা কারো কাছে পরিষ্কার
হলো না।
এ ব্যাপারে বিসিবি কর্মকর্তারাও
কোনো ব্যাখ্যা দিলেন না।
বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান
নির্বাহী কর্মকতা (সিইও) নিজাম
উদ্দিন চৌধুরী সুজনের কাছে এর
ব্যাখ্যা চাইতে গেলে তিনিও
এড়িয়ে গেলেন।
তবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত
কনসার্টে স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ১৬
মার্চ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ানোর দিনই
ছোট
আয়োজনে একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
হবে।
আইসিসি টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
বিসিবি লুকোচুরি খেলেন
মিডিয়ার সঙ্গে।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের কয়েক মিনিট
আগেই বিসিবির
কর্মকর্তারা জানিয়ে আসছে এ
অনুষ্ঠান বিসিবি একক আয়োজন। এর
নাম বিসিবি সেলিব্রেশন কনসার্ট।
যদি তাই হয় তাহলে প্রধান
মন্ত্রী কিভাবে বিশ্বকাপের
উদ্ধোধনী ঘোষণা করলেন?।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
বা বিসিবি সেলিব্রেশন কনসার্ট
যাই বলা হোক অনুষ্ঠানটি শুরু হয়
বিকেল ৫টায়। কনসার্টের
শুরুতে মঞ্চে গান পরিবেশন
করে অর্ণব অ্যান্ড ফ্রেন্ডস
পরে মঞ্চে ওঠে সোলস। দুই ব্যান্ড
তিনটি করে গান গায়। এরপর
এলআরবি ও আইয়ূব বাচ্চু বেশ কিছুক্ষণ
মঞ্চ মাতিয়ে রাখেন।
মাগরিবের নামাজের বিরতি পর
পরই সন্ধ্যা ৬টা ৩৮
মিনিটে স্টেডিয়ামে প্রবেশ
করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপর জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।
সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে স্বাগত বক্তব্য
রাখেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল
হাসান পাপন।
ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাপক
উন্নতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন
তিনি। এরপর বক্তব্য দেন যুব ও
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেণ
শিকদার ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল
মুহিত।
সন্ধ্যা ৭টা ৩৮ মিনিটে বক্তব্য
দিতে ডায়াসে দাঁড়ান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই
আয়োজন সফল করতে সবার
সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন,
‘আমাদের সরকারের সময়েই ১৯৯৭
সালে বাংলাদেশ
আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯৯৯
সালে প্রথমবারের মত
বিশ্বকাপে অংশ নেয়। পরের বছরই
আমরা পাই টেস্ট খেলার মর্যাদা।
আমাদের গত মেয়াদের সরকারের
সময় ২০১১ সালে প্রথমবারের
মতো বাংলাদেশ বিশ্বকাপ
ক্রিকেট আয়োজনের বিরল গৌরব
অর্জন করে।এবার সরকার গঠনের পর
আমরা দেশবাসীকে উপহার
দিচ্ছি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
এই বর্ণাঢ্য আসর।’
এ বক্তব্যের পরই
প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ইংরেজিতে পরে বাংলায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভ
উদ্বোধন ঘোষণা করেন। আর ঘোষণার
সঙ্গে সঙ্গে জমকালো আতশবাজির
ঝলকানিতে চোখ ধাঁধিয়ে যায়।
প্রায় পাঁচ মিনিট চলে এ আলোর
ঝলকানি।
এরপর মূল আকর্ষণ উপমহাদেশীয়
অস্কারজয়ী সংগীত শিল্পী এ আর
রহমান মঞ্চ মাতিয়ে রাখেন।
ফানা ও চালে চালু
গানে মাতিয়ে তোলেন
স্টেডিয়ামের উপস্থিত দর্শকদের।
তার পরিচালনায় ১৩০ জনের একটি দল
অংশ নেয়।
রাত সোয়া ৯টায় মঞ্চে উঠবেন
যুক্তরাষ্ট্রের পপ সংগীত
শিল্পী অ্যাকন।
পরে দেশি শিল্পীদের
মধ্যে আরো গান গাইবেন প্রখ্যাত
কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা,
সাবিনা ইয়াসমিন, কুমার বিশ্বজিৎ
ও মমতাজ। এরপর ত্রিমাত্রিক
প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশ
ক্রিকেটের ইতিহাস তুলে ধরা হবে।
কনসার্টের
শেষে থাকবে আতশবাজি।

এটা কি?২০১৪ T20 কনসার্ট কাদের জন্য হচ্ছে?

image

আইসিসি টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০১৪
আয়োজনের একক আয়োজক
বাংলাদেশ।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের
সর্বচ্চো আসর জমজমাট ক্রিকেট লড়াই
শুরু হবে ১৬ মার্চ। ক্রিকেট যুদ্ধ শুরুর দুই
দিন আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ
ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি আয়োজন
করেছে কোটি টাকার
সেলিব্রেশন কনসার্ট।
বিটিভি ও চ্যানেল নাইনের পর্দায়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কনসার্ট
দেখতে পারলেও
মাঠে বসে সরাসরি অনুষ্ঠান দেখার
ভাগ্য হয়েছে খুব অল্পমানুষের।
সাধারণ গ্যালারিতে কিছু দর্শক
থাকলেও মাঠের ভেতরের চিত্র
ছিল একে বারেই ভিন্ন।
মাঠে প্রবেশ করে দেখা গেল এ
যেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
বিসিবির পরিচালকদের
পারিবারিক অনুষ্ঠান।
অবশ্য এতো বড় অনুষ্ঠানে সবাই
নিজের পরিবারকে সঙ্গে নিয়েই
আনন্দ করবে এতে দোষের কিছু নয়।
তবে অনুষ্ঠানের খবর
যদি মিডিয়াতে প্রকাশ না হয়
তাহলে প্রশ্ন উঠতেই
পারে কোটি কোটি টাকার
অনুষ্ঠান কাদের জন্য আয়োজন?। এমন
কি ফটো সাংবাদিকদেরও
মাঠে প্রবেশ
করতে দেয়া হয়নি অনুষ্ঠানের
ছবি তোলার জন্য। অবশেষে দীর্ঘক্ষণ
বাকবিতণ্ডা করার পর
গ্যালারি থেকে তাদের
ছবি তোলার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়।
এতো গেল ফটোসাংবাদিকদের
কথা। পত্রিকায় নিউজ লেখার
রিপোর্টারদের জন্য
কোনো ব্যবস্থাই করেনি বিসিবি।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের
নিয়মিত প্রেসবক্সেও
সাংবাদিকদের জন্য বসার
কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
তাহলে নিউজ লেখবে কোথায়?।
বিসিবি নির্বাহী প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন
চৌধুরী তো সরাসরি বলেই দিলেন,
‘এ অনুষ্ঠানে নিউজ করার কিছুই নেই।
আপনাদের জন্য গ্যালারিতে বসার
ব্যাস্থা করা হয়ছে সেখানেই
বসতে হবে।’
তারপরও মিডিয়াকর্মীদের জন্য
বসার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
পরে সাংবাদিকরা যে যার
মতো করেই বসার ব্যবস্থা করেই
নিউজ করতে থাকেন। এরপর অনুষ্ঠান
শুরু হয় কিছু দেরিতে। বিকাল
চারটা ৫০
মিনিটে ব্যান্ডশিল্পী অর্ণব অ্যান্ড
ফ্রেন্ডস গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়
বিসিবি কনসার্ট। এরপর সোলস ও এল
আরবির গানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান
চলতে থাকে।